Friday, May 16, 2008

অর্থাপত্তি

ভ্রামক চৈতন্য থেকে ফুচকি মারে টুপ-ভূজঙ্গ পদাবলী
কাকসওয়ার কৈশরে সমেহন সঙ্কুল কাব্য নয় -
স্ফুরন-রহিত রিরংসাএকিভূত পানাহার পরিপাকে;

আগেই বলেছি আঙ্গিক হল শুয়োপোকা -
সংহার থেকে শুরু করে তাবৎ স্পশে জিঘাংসার আকর
সুতরাং ইল-ফিশ ডুবসাঁতার এই ফেরারী আবর্তন;

হেটেই চলেছি সটান চাঁদি ফুঁড়ে
নিয়মিত অকাল গোত্তা খোলে আনকোরা পথ,
বৃশ্চিক অনুপ্রাস এই বিষমপদী প্রগমন,
আর কঙ্কালের অ্যাকুস্টিক নৃত্য নিরাকার সৌরশ্মশাণে;

এরকম বেসামাল আলোক-বিন্যাসে
সংবর্ত-সংহিতায় প্রিজমিক বিচ্ছুরণ সাপেক্ষে
জ্যামিতির কাঠকয়লা হাতে
হতবম্ব প্রেতের সাক্ষাত মেলে
যারা সকলেই ইল-সঙ্কুল সমুদ্রস্নান ফেরতা

অক্লান্ত কোরাস সুরে বেসুরে -
মাঝেমধ্যে টকিন ব্লুজ,
সম-ফাঁক ঘেটে খামোকা বেকুব সাবেকী তবলিয়া -

প্রোফাইল

সংযত থাকো সন্তাপে
আর শাকান্ন থেকে বৈরাগে
সুচতুর কিছু উত্তাপে
যার চুড়ান্ত কিছু নেই ভাগে

মাত্রার থেকে মাত্রাতে চল
শংকর থেকে অ্যালকোহল
যাত্রার প্রতি ঘাটে ঘাটে বল
ওংকারমতি দেয় টহল?

সদর্থ দেখো ঝাপসা তামাকে
ধূলিঝড় থেকে কালাপাহাড়
প্রিজমিক চোখে চেনোতো আমাকে
হরিহর থেকে চোরাখামার

(এটা সামহোয়ারইনে আমার প্রথম পোস্ট। লেখা হয়েছিল ২০০২ এর ২০মার্চ)

খুলি

বস্তুরূপ হিলিয়াম চৈতন্য
শুকিয়ে খটখটে রোদ্দুর ফোয়ারা
খুলির ফুটোফাটা গলে; একতাল
বেওকুফ ঘুঁটে পড়ে আছে শুধু
চাড় দিয়ে জো নেই তুলবার
প্রজ্বালক নেই কাছাকাছি যে
জ্বলে ঊঠবে দাউদাউ করে

শিউরে ওঠা
নোনতা ত্বক
কেলাসিত সেই কবে!
খুঁটে খেতে গেলে নাড়ি-ভুড়ি কোলাব্যাঙ টোটেম।

২৪-৪-১৯৯৮

Monday, May 12, 2008

ক্যাথারসিস

স্যান্ডউইচ গোধুলীর ঘুর্ণন গতিবিদ্যা
ড্রিল থেকে ষাষ্টাঙ্গ বেমালুম লোপাট
কপাট এঁটে অষ্টাবক্র সাপাট তানে
মানে মানে কেটে পড়ে উদগ্র ঘ্রাণ
প্রাণ নিয়ে এখনও জীবন্ত শায়রে-

আগস্ট ২০০১

Friday, November 16, 2007

স্বয়ম্ভু

তারপর স্বয়ম্ভু বিস্ময়ে
পরস্পর শোঁকাশোঁকি,

ঠোকাঠুকি নিয়মিত
অনিয়ম মনে রেখে;

চেখে চেখে হাড়িসুদ্ধ
বাতিলের দিন ফুরোলে
টেকোবুদ্ধ
কোনাকুনি মাথা নাড়ে

কাড়ে
টোনাটুনি ইচিঙ বিচিঙ
কাঁথা ফুরনোর ঠিকুজি,
ঘুঁজি ঘুরে ঘুরে
গলির সুলুকে
কুলুখ ঠেসে

কেশে
খুক খুক
মাপা ডরপুক
ঝাকানাকা ঝাক্কির
সতর্ক খাঁড়িতে
জৈবিক
হাড়ি ফাটা রুখে দিতে

Thursday, May 17, 2007

যাত্রা

অত:পর
ঠ্যাং-বগলে যাত্রা শুরু,
মাত্রা গোনা বাদ দিয়েছি -
পুরু ত্বকে ঘর বেসাতি,
রং মহলের হা-পিত্যেশে চোলাই গুরু

মোড়ে মোড়ে পিছমোড়াদের মুড়কিমুড়ি
কচমচিয়ে হুরপরীদের খিড়কি আঁটা
মাঞ্জাসমেত পাঞ্জাঘুড়ির ভোকাট্টাতে
ঘুলঘুলিয়ার ট্রাফিক জ্যামে বেগার খাটা

Wednesday, May 16, 2007

আমাদের প্রেইরি

সেরকম অর্থাৎ হাত দুয়েক উঁচু থেকে সুপারম্যান সুপারম্যান খেলে অনেক ভালোবেসেছি গলির লরা-মেরীদের, খানা-খন্দকের এদিক ওদিক গুটিকয় লিটল হাউস, হাউস করে দাড়াতো যতদিন ওদিকের ডোবা লোকে খাল বলে জানতো আর তাতে গিরা ভেঙে বুড়োদের সালিশের ছড়াছড়ি

Saturday, April 14, 2007

কার্নিশ

তারপর সাইনবোর্ড ধ্বসে গেলে পাঁই পাঁই করে ছাদের কার্নিশে নেমে হেলেদুলে শুক্লা বৌদিদের রাসলীলা পান - তার চীনে পটকা ননাস একদিন তেড়ে এলেও ননদকে বরাবর ভালো পাই যে রেডিয়ান কোণ একটি ধ্রুবকোণের লক্ষ্যভেদ করতে ছিপছিপে বিকেলে সাফা সাহেবের ছাদে পাখনা শুকাতো; খুব পাকনা ছিল সঠিক বয়সে - ওকে আর বৌদিকে কোন সঠিক গোধুলিতে জাগামতো না পেলেও কার্ণিশ থেকে ধাপ কয়েক এগোনো খুব জরুরি

Friday, January 26, 2007

আন্ধারে

মাঝে মাঝে
ফিউজ কেটে যাওয়া ভালো,
আলো নেভাবার দায় বাঁচে ।
সাঁকোর উপরে
মজবুত হাঁটা চলায় সায় দিয়ে
কেটে পড়ে রমনীমোহন গোসাঁই ।
নাই কাঁথার সারমর্ম,
গলদঘর্ম পাঁড়েজি
সাপ্লাই এর জলে চান করতে গিয়ে ধুয়ে ফেলেন

সাফ-সুতরো উঠানে
কচি ঘাস ঘাটাঘাটি;
সারি সারি
আঁটিবদ্ধ সোনালী আঁশ
সমাসক্ত প্রিজমের সুহৃদ ঘনক

সীরাতুল মুস্তাকিম

কুমড়ো কিংবা কাঁকড়ার বেশে
বৈদ্যবাড়ির চৌকাঠে মৌতাতি হানা
পানাহ প্রাপ্তির মুখে ছাই মেখে -
চেখে চেখে চোখ রাখা তলানির সুড়ঙ্গে,
অত:পর ষাড়ঙ্গ ড্রিল, অনঙ্গ লীলাচলে
সাবমেরিন সরলতার গৈরিক আশ্রয়ে :
সাশ্রয়ে আড়াআড়ি চোরাবালি নান্দিমুখ ।

ঠিকুজি

প্রতিদিন
বিকেন্দ্রিভুত ঢেকুরে
মুড়ে রাখি
দৈনিক ঠিকুজি
পুঁজি পুঁজ হয়ে টন্ টন্ করে
ঘরে আসে বাহারী হ্যাজাক
যাক সে
যদি যাওয়াই ভবিতব্য হয়
শুকোবে না ভোঁতা কোপ
কিংবা প্রৌঢ়ের স্বপ্নদোষ
আমরা ক্রমাগত
ইউটার্ণ বুঝে
রিলেরেসে ঝুঁকি
টুকিটাকি টুকে রাখি
চেখে নেই দৈনিক রাসলীলা ।

Friday, January 12, 2007

হাওয়াই মিঠাই

আবার
বরাবরের মতো বাধাহীন রোদে
ডালাপালা শুকিয়ে লাকড়ি হবে
ভবে ভাবের ছেনালী হালাল
ছাল-বাকলা পুড়ে ন্যাড়া
বেলতলায় অবিরাম
কোয়ান্টাম ফলোথ্রু

১২.০১.২০০৭

Saturday, October 28, 2006

কী করিতে হইবে

এক একটা সরস ডিগবাজী হাটু আর কশেরুকা ঠিক রাখে- হট্টমুলার গাছে তুলার বালিশ আর পাবো কই ? নুলার অভিজ্ঞতা ঝুলে ঝুলে, তুলতুলে নরম কোনকিছু ভালো না - হাড়ে চাই ফসফরাস - তালুতে মুঠো করা প্যারালেল বার- গাঢ় থেকে ঝাড় কদ্দুর জানতে অলিম্পিকে পেতে হবে দশ, সস দিয়ে আলুভাজা পোষাবে না - অরণ্য ছিপি খুলে দেখে নেয়া পাহাড়ের ভুমিরূপ - কুলুপ আটিয়া ছিল গোকুলের ষাড়ে !

Tuesday, July 11, 2006

ঈশ্বরাসিদ্ধে:

তারপর তড়িঘড়ি করে হাওয়া খেয়ে মসওয়ালা মাসায়েল পাঠ , কাঠ পিপড়ের ভালোবাসায় যতদিন ভরসা ছিল ততদিন চালিয়েছি রগরগে মৌসিকি ; তৌহিদী জনতার টগবগে কুঁচকিতে ছুলি-ছৌদ-ছোলমের প্রতিকারে রেগুলার চালিয়েছি মাষকলাইয়ের ডাল ; হালনাগাদ চোলাইয়ের ঢালে ইউটার্ণ নিয়ে , বসন্তেরে গানখানি দিয়ে অকাতরে সকাতরে ভালোবেসে পুরাতন বোঁচকা , ছোঁচা বিড়ালের টেরোডাক্টিল প্রেমে কচর-মচর .....

Friday, June 16, 2006

লোকজ

পাহাড় দেখেছি
প্রমাণাকৃতির কিছু ঢিবি
চিবি সদৃশ কিছু উপত্যকা
বোকা বোকা কিছু হ্রদ
পোষা শ্বাপদের ভোদাই দৃষ্টি
খোদাইয়ের গুণে বান্ধা পিড়িতের কৃষ্টি
ছিষ্টি ছাড়া ইস্টিকুটুমের রাসলীলা
বিলার সম্ভাবনায় লীলাবতীর ইফেক্ট
নাঙ্গা নাচের ছৈল ছাবিলা অ্যাক্টো
ডি-ফ্যাক্টো পমেটম
ব্যোম ভোলানাথ বলে
বাবা ভূতনাথের দরগায় টরেটক্কা
অক্কা নিবারণকল্পে স্বল্প মাত্রার বড়ি
দড়ি দিয়ে ঘড়িয়াল টেনে সমতলে
কবিয়াল ফুলকপি পাশাপাশি ফলে

Tuesday, June 06, 2006

রঘুপতি-রাঘব- রাজারাম

একদৌড়ে মহফিল-এ-বাহার
পেরিয়ে রৌদ্র কাটাকুটি শেষ,
বেশ করে মেরেছি কাছা
পাছা বাঁচাতে;
আঁচাতে পারিনি সেদিন
জুৎমতো গিলা কলিজা ;
ভিজা নার্গিসের স্মৃতি
জলভিক্ষায় উৎসাহী করে ,
জেগে কাটালাম বেকুব কলতলায় ,
জ্বলন্ত অমাবশ্যায়
লাকড়িদাস বাবাজীর নাম নিয়ে
ধরলাম তামুক,
অত:পর কামুক দৃষ্টিতে
শামুকের জন্মকথা
টুকে রাখলাম কাঠাল পাতায় ,
পাঁড়েজী এলেন ঘাটে-
শ্যামলালের মুখে কুলুপ !

Sunday, May 28, 2006

ক্যাথারসিস ২

ধাতব সৈকত থেকে নুলো হয়ে গজদন্তপ্রহরের তলানি গুটিশুঁটি শুঁকে দেখা; বিষ্ঠাকে পরবর্তী রসায়ন জেনে গিলেছি অনেককাল আগে, বেনেপুতুল সাজ শিকেয় তুলে ; ভূলের সমীকরণে উভয় পক্ষ থেকে কাটা গিয়ে বিভিন্ন অক্ষের উপশাখায় অস্থায়ী পানাহার-পরিপাক; কাকের অকৃত্রিম আবর্জনা প্রেমে মুগ্ধ হয়ে প্রতিদিন পাৎলুনের নিচে জাঙ্গিয়া পরিধান ; বহুক্লেশে ঠাঁই লাভ অভিধানের প্রতিপাদ প্রান্তে ; ''এইখানে আমার নকটার্ণ''

আগস্ট ২০০১

Saturday, May 27, 2006

সহজিয়া

হনহন করে হাঁটতে থাকো,
নাগাল পাবার মতো দূরত্ব থেকে;
মাঝে মাঝে মুতে নাও
পেট্রল পাম্পের পাশের ঝোঁপে,
সঁপে দেওয়া অ্যান্টিসেপটিকের নির্যাসে;
প্রণাম ঠুকে নাও
উডিউড পেকারের জলছাপে
পরম হংসের ধূমায়িত ছাঁকুনিতে;
জিরিয়ে নিতে পারো
ঝাঁকুনি দিয়ে ফ্রেস হবার পরে কিছুক্ষণ;
জগিং-জাগলিং এর প্রমান্য
একসময়ে পৌঁছে দেবে খুব কাছে,
অর্থাৎ যেখান থেকে শুরু করেছিলে তার খানিক দুরে

মার্চ ২০০৪

Tuesday, May 16, 2006

চৌরঙ্গীর সন্ধ্যাগুলো

অনেক রকমফের ছিল চৌরঙ্গীর মোহনায় টপস্কার্ট থেকে শুরু করে জানালাওয়ালা সেমিজে লুঙ্গীতে, পয়তাল্লিশ ডিগ্রী কোণে সেটের অঙ্ক কষতে কষতে ঘনজ্যামিতির আশ্রয়ে ঝালমুড়ি ; সদ্য উপড়ানো তালের গুড়ি থেকে ক্যারা চেয়ে থাকে সকৌতুকে,মাঝে মাঝে শুকে দেখে ভুমিরূপ - ধুপ করে পিষে যাবার আগে একবার ঝেড়ে কেশেছিল কিনা দেখে নিতে একরাশ গালাগাল দিয়ে বেশ করে নিজ পাছা চাপড়ায় কেউ, মানিব্যাগ খুলে দেখে নেয় বিত্তি-বেসাদ - বেশ কালোয়াতি করে কেউ ফ্যাল ফ্যাল চেয়ে থাকে,অর্ধ -নিমাই চক্রে মিলায় তার এবং তার মামাসীর ফেউ; নেট ওয়ার্ক পাওয়া গেছে - প্রতিটি মহাপ্রাণ বর্ণের স্বাতন্ত্র্য লক্ষ্যবেদ শাস্ত্রের হিটে উত্তির্ণ হয় বরাবরের মতই বরাবরের চাইতে বেটার ফলাফলের পূণ্যার্থে- বাকিটুকু মুড়ে রেখে দেয় স্তানিস্লাভস্কির নাট্য পরিচালনার নির্ঘন্টে-তারপর কানপাখা মেলে উড়ে যায় বংশাই নদীর বাতাসে ; আকাশে তাল গোল পাকানো আবোল-তাবোলে হাফ শেড করে দেখে নেয় গ্রেট গীগ ইন দ্য স্কাই - প্রকান্ড হাই তুলে গিলে ফেলে ঝকমারি টপস্পিন - তিনটি জ্বলজ্বলে পথকে এককথায় বাতিল করে সোজাসুজি প্যারাস্যুটে চড়ে বসা , শুয়োপোকার পেলব ভালোবাসায়

লিও শাও চি

আহ্নিক সরনে
গেঁথে যাই
টাসকি বাঁকে
থাকে
শুকনো তুষারে
হাস্কি কোলাহল
ম্যারাসমাস গোত্রীয়
উদ্ভিদ টুপ-ভূজঙ্গ
অঙ্গ চাখিয়া চেপে যায়
হত:শ্বাস সুহৃদ ।