Wednesday, July 23, 2008

দহ

অষ্টাবক্র ছেঁকে নেওয়া ঘটনা -
রটনামুখর মুস্তাকীমে সীরাতের মৌতাত;

হাত গলিয়ে
সুস্বাদু জৈব রসায়ণপ্রাজ্ঞ
যাগযজ্ঞের নির্মাণাধীন
বীর্য্যকুঠুরির দোরে
আলগোছে রেখে আসা
মাছিমাখা কাঁঠালের মোচা,

সোজা কিংবা সমান্তরাল গুহাগুলি
একটি পাহাড়েই ধরে নিয়ে
ঝিয়েবৌয়ে ফলনের সুধারস-
ছোট সে তরীর ঠাঁই পেতে
বেছে নেয়া সমতল নদী।

গদীঘরে হালাল ব্যবসা,
ঢ্যাপসা কদুর খোলে
পরিচিত কেলী-
মেলি দিব্য চোখে
কচি মুরগীর সিনা

বীণার ব্যবহার উঠি উঠি করে
দারাদারাদিমদিম
হিম হয়ে ঝরে

ঘরে ডাকে পাতিকাক
মনু আর চার্বাক
হাঁক দিয়ে আড়াআড়ি
তাড়ি টেনে ভাঙে হাড়ি
খাঁড়ি ঘেঁটে সারি সারি
দহে খোঁজে কুমিরের সনাতন ডেরা,

নিদারুণ আঁকিবুকি দহগ্রাম ঘেরা।

Friday, May 16, 2008

লগারিদম

দেখা যাচ্ছে অতিশয় সরু সরু কিছু ফানেলের ফিকিরে ডুবসাঁতারী টানেলভিশনের গায়ে মিশনারী ছেনালের ধবধবে অধ:ক্ষেপ

প্রক্ষেপ নিরপেক্ষ প্রতিবেশে গেঁথে থাকে অতিপ্রাথমিক গোলকীয় ত্রিকোণমিতি

সুতরাং অপচিতির লগারিদম খুঁজেপেতে খতমের কিছু নেই

কণাবাদী সমতল

আরো কিছু কাটাকুটি
সার সার পড়ে থাকে
করোটির ফাটাফুটি ঢেকে
সেইসাথে ধূমসেঁকা
খোলতাই মজারু
সজারুর দোলমায়
চেরা সুরে
চৌতাল শেখে

দেখে দেখে বরাবর
হাঁপরের হাঁফ ধরে
গুটিশুটি
এজমালী টুটি চেপে
ফেঁপে ওঠা টুকটুকে
চোখে চোখে চাখাচাখি
শ্যামরাখি ইতিহাস ঝরে

মজমা

রুবিকসকিউব মজমার
প্লাটিপাস চাম
রীতিমতো
ছ্যাঁদা মনোবিজ্ঞানের দোহাই -
সিঙ্গেল রণ-পায় চড়ে
গড়ে পিটে
চিটেগুড়ের বৃত্তান্ত
গেঁথে যেতে থাকে
পেট কাটা ঘুপচিতে

সরল কর

তারপর ভুস্ করে আরেকটা টস্ টসে ডলফিন পাল্টি দিল বরাবরের মতো ধারাবহিক প্রতিফলনের পিন্ডি চটকে; সুতরাং সাফসুতরো কলতলা কোন সমাধান নয় - (আরো নাদান বয়সে সমাধানের অঙ্কে ধরা খাই পাঁচ সমান ৭ লিখে, আমি প্রাণপনে প্রতিবাদ করেছিলাম কেননা উভয় পক্ষ থেকে দৃশ্যত: এক্স বাদ দেওয়া যেতে পারে অন্তত দেবার মধ্যে একরকম সেমি অরগাজমের সম্ভাবনা চট করে উড়িয়ে দেওয়া যায় না-গেলেও উচিত নয় কেননা নীতিদর্শন মূলত সুবিধাজনক চিপাচুপায় প্রযোজ্য) বুট পড়ে গেলে আর উঠতে হবে না ফলোথ্রু থেকে।

এক পা আগে দুই পা পিছে

রদ্দা মেরে ছাল ছাড়ানো সহজ -
রসুনেরতো বটেই
ঘটেই কি জল আনতে হবে?
কোঁচড় ভরে খিস্তি-খেউড়?
কোঁচড়ের জল চিপড়ে খেয়ে
ঘড়া উপচে খেউড়ি পেসাদ
দেউড়ি খোলা পড়েই থাকে
ল্যাটকা মেরে বিত্তি-বেসাদ
চিত্তি জ্বলে পটপটিয়ে
জাটকা দিলে নিমরাজী ঘাত

বন্দিশ

দেখেছি
ভজনের অধ:ক্ষেপ
জোয়ারির ভাঁজে;
নম্বর দেখে
খোলস কেনা বাদ
দিয়েছি
ওজোনের গ্যাপে
বায়োস্কোপ ।
ছোপ ছোপ
অঙ্কুর -
চুর মাখলেই
ধারালো টান্নি;
কান্নি খায়
কোনাকুনি ফ্লিপার !

কঙ্কাল

বুভুক্ষু রৌদ্রে
করোটি ঠোকাঠুকি হল -
চৌদ্দবছর পেরোয়
তোমার সাফসুতরো আঁচল
ঠিকঠাক টেনে নিতে।
মূলধন ঢেকে ঢুকে টুকে রাখা
আমদানি ইতিহাস ঘষেমেজে।

পাশাপাশি
চৌদ্দ প্যারাডক্স মজমায়
গ্যালাক্সি ঝুর ঝুর ঝরে পড়ে
গড়ে ভাঙে টসটসে রাসলীলা গান
তান থেকে ডিগবাজী
রোদে ভাজা করকরে দেহাতি,
আঁতিপাতি ঘুলঘুলি মনোরম
মনোরমা মল্লিক।

বোধ

অসুন্দর গুপ্তর সাথে বহুদিন পরে দেখা এমএসএন এ। অনেকদিন এদিকে ওদিকে ফুরিয়ে কোন না কোনভাবে ভাত জুটাই দুজনেই। কিভাবে কেউ আর জানতে চায় না। অনেক কথা হলো। পুরাতন কিংবা প্রাচীন। সবশেষ লেখা থেকে গেঁটে বাত।
পুরনোরা কে কোথায় এইসব বালছাল। তারপর কথা ফুরোলে হাড়িতে হাত পড়ে। জীবনে তিনের দুই পেরিয়ে দুজনেই বুঝি, পরস্ত্রী বলে কিছু নেই।

২৫ আগস্ট ২০০৭

৫ দিন ধরে ক্রমাগত ভাবছি
ভাবছি আর বাল ছিড়ছি
ছেঁড়ার মতো আর কিছু
আপাতত বিনা পয়সায় পাচ্ছি না

বাজারের কোষ্ঠিতে টৈটুম্বুর;
কাৎ হতেই ছলকে পড়ে
ত্রাহি ত্রাহি পরিসংখ্যান
ডানে বামে চালানের খুশবু,
ব্রহ্মতালুতে ঝুমুর ঝুমুর
টাপুর-টুপুর
বোকাচোদাদের রক্ত ঝরে।
রেডিও ফেলে মোবাইল টিপি
কামোদ্দীপক আনকোরা সেট
রগড়ে দিচ্ছি
রগড়ে দিচ্ছি
পাবার লোককে পাচ্ছে না-

৫ দিন ধরে ক্রমাগত ভাবছি
ভাবছি আর বাল ছিড়ছি
ছেঁড়ার মতো আর কিছু
আপাতত বিনা পয়সায় পাচ্ছি না

উত্তরাধুনিক

নিকষ আবহে একাকি জাগলিং
শিং বাগিয়ে সুস্বাদু গোমাতা
ছাতামাথা স্মৃতিশাস্ত্রে কুমতি
যেমতি যুবতি যৌবন
রুবিকসকিউব মজমায় টং
ভং ধরা ডুব সাঁতারে মৌতাতি শমন
আর এক চিমটি চমন বাহারে অরগাজম
রহম দিলে চিলের সাথে উচ্ছিষ্ট ভাগাভাগি

সহজ লোকের মতো

তো এই হইলো ঘটনা।

রটনার রমরমা বাজারে
হাজারে দশের এক
চেক-রিচেকের মনোহরি
হরিবোল ছাপায়
টেক-রিটেক রবাহুত
পাললিক সন্ন্যাস,
সমাবেশে বিন্যাস
ঠেসে
কায়-ক্লেশে
টেঁসে যাওয়া
অকালবোধন।

ফুচকিবাজি

ফুচি মাইরা কি দ্যাহছ আন্ধারে ?
নর্দমায় আজাবের খোশবু,
জিনালায় বেচাইন জামানা,
দুসমন জেনানা কান্দে আন্ধা খোয়াবে

ব্যাকা ত্যারাই অহে মোকাম চিপা,
গাঙ্গে গিয়া স্যাস

গল্লি কি একটাই চিনছিলি দুনিয়ায় ?

প্রেমপত্রের সর্বশেষ খসড়া

কদ্দুর গুটিশুটি চলে অবশেষে উৎড়াই মৌজ
গলার কলসি ভেঙে
তুমিও খেয়েছ হয়তো নানারূপ পালটি
কিম্বা ছিমছাম ভগিচগি

আমাকে তো জানো -
সাঁটাই কপ কপ করে খাস্তা পরোটা
আর গজব ঝাল মারা গিলা কলিজা ,
পেঁয়াজের ঝাঁঝ কর্ণকূহরে বিষূব চক্কর

ফক্কর ঢালে নাচানাচি ,
ছিপছিপে হাঁচির আপাত গোলগাল
নাদুসনুদুস প্রতিসরাঙ্ক
সাংখ্যমত বুঝে সেঁধে যায়
আড়াআড়ি প্রত্যক্ষে

স্বপক্ষে
পিটপিটে চোখের পিঁচুটি
ভার্চুয়াল বিছুটি বাঁচিয়ে চলে
গনগনে ঢেউটিনে মুশকো বেড়াল

যাযাবর

সংশয়
বরাবর
হিসাবি গজাল
শাল পাতাতে
তালের রস
কতটা ধরে
হরে দরে
হিসাব রেখে
দেখে দেখে
চেখে রাখা
তাল পাখাতে
নন্দী-ভৃঙ্গী
ছৈল-ছাবিলা
ফর্দ লেখে

সবদিক ও.কে.

ঝুর ঝুর করে ঝরে পড়লো আস্ত একটা গ্যালাক্সি
চৌকি অথবা কুলুঙ্গিতে মুখ চাওয়া চাওয়ি করে
সুখদা বরদা চিকনে চাপে
চিলমচী উপচে টগবগে স্পার্ম
দস্তরখান ঘিরে লজ্জ্বা নিবারন
নাঙ্গুবাবার সুস্বাস্থ্য কামনায় উপবাসে রাসবিলাসীনী

দেখা

চরাচর
চরে বেড়ানো যেতো
প্রাথমিক সরণী জুড়ে

ততদিন
ভাঁগাড়ে ফলতো
ডিগবাজী মোকামের ফুসকুড়ি

তুড়ি মারতেই
গুড়ি মেরে
শুড়িখানায়
বিস্রস্ত ছুড়িরা
নড়েচড়ে

মরে
সহাস্য
সমারূঢ়

গূ্ঢ়
নেকাবের
পরার্থপ্রজ্ঞায়

সম্পর্ক

১.

আমাদের বাসাটা আমাদের বাসা। তার পাশে প্রতিবেশীদের আর তার পাশে অন্যদের বাসা। ওই বাসার লোকরা অন্য লোক। এই বাসা আর ঐ বাসায় অনেক পার্থক্য। প্রাণীকোষ-উদ্ভিদ কোষের থেকেও বেশী। সাইটোপ্লাজম ছলকে গেলে বালতি ভরে তুলে আনি। কলসি আজকাল রিস্কি। অন্যরা আমাদের মতো দেখতে । তবে তারা লবণকে নুন বলে। আমাদের দুই ছেলে, ওদের চার মেয়ে। প্রতিবেশীদের বাসায় পাখ-পাখালি। অন্যদের ইলেক্টিভ ম্যাথ নেই। ওরা নরম নরম বই পড়ে। আমরা ঢ্যারা কেটে হিসেব-নিকেশ। হিসেব না মিললে প্রাণপণে জল গড়িয়ে খাই। আমাদের বাসায় বড় ঘটি নেই। ওদের বাসায় ঘড়া ঘড়া জল। ভেজা বই সাবধানে নাড়তে হয়। আমাদের বইপত্র হার্ড বাইন্ড।

২.

আমাদের বাগান আর ওদের বাগান আলাদা। আমরা বাগানকে জংলা বলি এবং উদ্বাস্তুদের হালকা হতে দেই। ওরা হালকা কোনকিছু ভালোবাসে না। বাগানকে কানন কিংবা কুঞ্জ বলে। ফলনের তালিকা রাখে।

৩.

আমরা ওদের সাথে শুই না - শুতে চাই। ওরা ওদের সাথে শোয়। আমাদের আবরণে-আভরনে বীজতলা। ওরা ইঙ্কুবেটর চালায় ওস্তাদী হাতে। ডিম ফাটা শিশুর টাস্কি ছাঁকা গাণিতিক কোরাস ভালো পায়। আমরা শুতে এবং শুতে চাইতে ভালো পাই। আমরা দাঁড়াই এবং শুই, বসাবসির মধ্যে নাই

৪.

আমরা আনুষ্ঠাণিক গোলপোস্ট ফেলে রাখি সাফসুতরো, ওরা নকিং করতে করতে সময় পায় না সুতরাং মাঠে থাকে মূলত বিভিন্ন ধরণের চিহ্নিত সীমানা; টানা কিংবা কুন্ডলি যাই হোক মোটামুটি নিয়মিত সেইসব নিকেশের পাতিহাঁস আমাদের কোঁচড়ে কুটকুট করলেও ওরা নিজস্ব ক্যালেন্ডার ছেড়ে নড়ে না,আমরা অনবরত দেওয়ালে টুকে রাখি নিজস্ব ঠিকুজি

৫.

তারপর ওদের পাশের বাসায় তুমিদের সাথে দেখা হবার আগেরদিন থেকে চেষ্টা করেও কাঁচা তেতুলে অভ্যস্ত হতে না পারায় ওরা ধারে কাঁচামরিচ দেওয়া বন্ধ করে দিল, হাত পড়লো সাতপুরুষের শুকনো মরিচের ভাঁগাড়ে

৬.

বস্তুত: গরম মসলা কিংবা থানকুনি পাতার ঝোপে বরাবরই প‌্যারালেলবার মটমট করে উঠবার প্রান্তিক সম্ভাবনা ভনভন করতো, সর্বশেষ কুটুসের তিনদিন আগে তর্জনী ঠুকে রিমাইন্ডার দিয়েছিলেন মন্টুমামা : কর্তা-ক্রিয়া-কর্ম

মাড়িতে পিষে মারা চলে চর্মের ওপাশে কুটকুট -

৭.

ফুটফুটে চীনামুরগী হাও মিং বলেছিল বুদ্ধ এবং মার্কস বহিরাগত বলে তাও তে চিং তার ফেভারিট তারপর কুট কুট করে খেতে লাগলো ঘাসপাতা - সুড়ুৎ করে নল্লি খালি করে বল্লাম আমিও বার্হস্পত্যমতানুসারি, সে সব্জিতেই ডুবে থাকলো কারণ যা বলার মাতৃভাষায় বলেছি

৮.

যেমন ধরা যাক সদ্য নিহত মসলাখোর বকনা বাছুর। ভালো স্বচ্ছল। কিন্তু পথ ছাড়তে নারাজ। এড়েদের ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে সে চেয়েছিল সহজ কচকচে মাঠ- যেখানে ঘাসের প্রতিরোধ ছিল নিয়মিত শোধনে। বদনে দিলখুশ টাসকি অগত্যা সেখানেই চাটনি খেয়ে নিল।

৯.

চীনদেশের চাল সাকুল্যে আমাদের খুদ। মুরগীসহ পাখীদের বাকি খুদখোর-সমাবেশ মাঠেঘাটেচালেডালে খুদের বাকিটা খুঁজতে কখনো স্বচ্ছ,বৃত্তাকার চৈনিক চালের সন্ধান পায়। সেখানে স্বচ্ছ পরতে ঢাকা আরো এক বৃত্তের দুগ্ধরূপ। পাখীদের প্রাকৃতিক কাটারি যেতে পারে আরো গুটিকয় ধাপ। আমাদের কেলাসিত খুদে ভাঙনের ইতিহাস। ধাপটাপ নেই।

১০.

সুতরাং গিঁটের ব্যবহার উঠে যাওয়া পুরোপুরি দু:সংবাদ নয়, উবে গেলও জ্বাল দিয়ে ছেঁকে নেওয়া যায় ধাতু কিংবা সহনশীল পলিমার সাক্ষী রেখে; সাক্ষ্য জিইয়ে রাখে কুটোগাছি কিংবা অন্তত ফুটো হয়ে পথ দেয় ডুবে যেতে

মেটাফিজিক্স

১.

আসমান পরিস্কার থাকলে ভালো লাগে, কারণ কারনের প্রভাবমুক্ত চোখে চড়াইসমুহের উৎড়াই ঝোঁক ইফেক্ট সহকারে তুলে নেওয়া যেতে পারে বৈদ্যুতিক স্মরণিকাতে সাংখ্যকারিকায় পৃষ্ঠা নির্দেশক গুজে , ভুজালি দিয়ে তরমুজকাটা ঢেকুরে পেঁয়াজের অধ:ক্ষেপ টুকে রাখা যায় আক্ষেপের জলসায় শেষ তেহাইয়ের স্মৃতি কথা; সেই সাথে উদ্ধৃতি বহুল রহস্যালোকের লেকের পাড়ে পাঁড়েজির ছাগলের তিনহাত দাড়ি; শ্যামলালের সংশোধনবাদী প্রজ্ঞা ত্রুটিহীন ঊঠানে দস্তরখান বিছিয়ে এক নি:শ্বাসে লিখে ফেলতে পারে শারিরক ভাষ্যের কড়চা -

২.

তুর এবং সিনাই পর্বতের মাঝামাঝি বাস করতো একটা ব্যাঙ; কি করে তিনি উদয় হলেন তা জানতে হলে যোগাযোগ করতে হবে কোন নন রেজিস্টার্ড রিক্রুটিং এজেন্সিতে তবে বিলক্ষণ অব্যাঙাচীয় ফেনোমেনা ক্রিয়াশীল ছিল তার অযৌন আবির্ভাবে; কারণ, তহুরা এবং কারনের রসায়নে সাজুজ্য থাকলেও অধ:ক্ষেপ জটিলতায় তন্ত্রীয় ঢাকের অ্যাকুস্টিক বোধিস্বত্ত্ব সত্যায়িত ছিল না নৈর্লৈঙ্গীকতার ফিকিরে ; জিকিরে অংশ নিতে এন্ট্রি ফি কত তাও স্পষ্টত: অস্পষ্ট ছিল; সুতরাং মায়ামৃগে মজে থাকা নিষাদ,মান্ডুক্যোপণিষদের কুটুস-তাড়িত হয়ে সমূহ সর্বনাশকে চেপে ধরে মানিকসাহেবের চিপায়

৩.

খাসিকরণ প্রকল্প শৈশবে মানে যদ্দিন অ্যাভোগেড্রোর সাথে আলাপ হয়নি বেশ ইন্টারেস্টিং ছিল; আমরা দল বেধে দেখতাম সেই নথিবর্হিভূতজন্মনিরোধ যজ্ঞ।অভিভাবকেরা দিতেন নিরব সম্মতি। পাঁঠাকে ভালোবাসতে শিখেছি ক্লাস সিক্সে। ছাগলের ডিপো ছিল আদিগন্ত ঘাসে। তার বিষ্ঠার রূপকল্প ছিল মার্বেল। প্রচুর মার্বেল খেলেছি । মার্বেল অত্যন্ত দার্শনিক খেলা।পদে পদে আদিম তন্ত্রশাস্ত্রের রেফারেনস - এগারোতে টিয়া,বারোতে বিয়া...কখনও কখনও বারোতে মধু তেরোতে বিয়া,অর্থাৎ ক্ষেত্রবিশেষে মধু আগে খেলে মহাভারতের শুদ্ধতা প্রমাণ হবেনা ওটা আজগুবি গপপোই থেকে যাবে।

জেনেসিস(ভূমিকা কিংবা উপসংহার)

শুরুতেই শুরু কিংবা ছিল না। জন্মমৃত্যু অজ্ঞাত - প্রত্যক্ষে নিজস্ব সঙ্গম -পানাহার পরিপাক, উলম্ব থেকে ছররা চম্পট, লম্পট প্যারাস্যুটের ঘুলঘুলিতে চোখ রেখে জাগলিং চেখে দেখা - এ হাত থেকে সে হাত;সমানুপাতিক রিলে রেস কেঁচোর পাঁকে অ্যামিবার স্মৃতি উসকে দেয় - অ্যামিবা অনেক,অন্তে বা আদিতে, ব্রহ্ম কুচিকুচি হয়ে নিকুচি ঝাড়ে অন্ডে,এইসব অভিসন্দর্ভ কিলবিল করে বিরানভুমে লোকায়ত বিকিকিনির ফিকিরে,আহ্নিক আবর্তনের প্রত্যেক কুঁচিতে