Wednesday, December 30, 2009
জেনেসিস ৬৮-৭০
ঘুম ভুলেছিলাম নিঝুম নিশিথে জেগে থেকে। তারপর জুলহাসের ডাকে চোখ খুল্লাম। খুলে দেখি লুসনিটা পন্ত জায়গামতো ঝুলছে। শুধু জুলহাসকে আর পাওয়া গেলো না। কিঞ্চিৎ জুলহাসপনা দেখা গেলো সহাস্য পলাতক পেলিক্যানের ঠোঁটে ...
৬৯.
এইসব বলে কোন লাভ নাই। ঠিক কোনসব বলে লাভ আছে সেটা আপাতত অস্পষ্ট হলেও একদিন্নাএকদিন স্পষ্ট হবে এরকম হরিহর মজমার চৌষট্টি ঘাটে একশত আঠাইশ বাড়ি স্পষ্টত: কোন কোন হাড়ি ফাটালো তার ডিজিটাল তালিকা রাখতে চুড়ান্ত উস্টা খেলো নেপথ্যের বর্তমান স্পিকার। তিনি কলাটলা খাননা। শুধু প্রতিপক্ষকে ডলা দিতে ভালোবাসেন। ফলত: আমরা ডলাডলিকে ভার্চুয়াল পোলভোল্টের ঘোল খাওয়াতে ভালোবাসি।
৭০.
বুড়ো আঙ্গুলের নখগুলি আকারে বড়ো হয়। ব্রন্টোসোরাসের গালে ব্রণ না হবার কারণ না জেনেও অমনিভোরাস রসজোঁক কোকশাস্ত্রকে মধ্যমা দেখিয়ে প্লবগ শীর্ষাসনে আটকে থাকে
Tuesday, December 01, 2009
লোকায়ত
দুর্মুখ ইনিংসে
হারানো সিসমোগ্রাফ
সপাপবিদ্ধ
আড়াআড়ি তাড়িপ্রবণ
ভূমিরেখা
ঠেকা দিয়ে রাখে
নৈশ বীক্ষণের
কাটাছক-খোপান্তরে
সরে সরে গেলে
স্বরগ্রামকলহ,
প্রদাহপ্রসন্ন-
তন্ন তন্ন তুড়িয়ানন্দ
সহাস্য বিলিয়ে দেয়
৪৯ ক্যারাট বাজুবন্দ;
নক্সীকাঁথার পলিমিক্স
থেমে থেমে
জমে থেকে
আলগোছে এঁকে রাখে
ঝাড়পোঁছটুকিটাকি,
বাদবাকি
হাঁকাহাঁকি
সনির্বন্ধ কৌটায় এঁটে থাকে
হরে মুরারে,
ক্ষারে এসিডে ক্ষারকে -
হবিষ্যি-তবারক মাখামাখি।
দিশি টেনে
ঋষির চেতনে মজে
গোমাংসভাবনা-
অতিদ্রুত
বতিচেল্লি উবে যায়,
বেঁচে থাকে
ভাঁপে তাপে
প্রসন্ন নল্লি-
Monday, November 02, 2009
জেনেসিস ৬৩-৬৭
৬৩.
দ্রুত নড়বড়ে দিদৃক্ষা আবক্ষ ঝরঝরে পরকাল ভালোবেসে আরো ঘেঁষে ঘোরচাল টেঁসে যায় মাল বুঝে টকঝাল ঝুলে দেখা সারঙ্গদোলাচল
৬৫.
কাৎ হতে হতে শীর্ষাসনকোণে রণ-পা-প্রতিফলন ঝুলনমায়ার হায়া প্রণিপাত করে ছায়াসম্পাত লেপ্টে থাকে নওরোজ-মনোটোন
৬৬.
সরাসরি দেখা যেতে পারে যতদূর স্বস্তিকর বিভ্রমে নিয়মিত ট্যানজেন্ট কন্টেন্ট নিরপেক্ষ কন্টেক্সট অনুসরণ করেই একশো পয়তাল্লিশ ডিগ্রী কাৎ ভেটকী দেয়
৬৭.
শেষ পর্যন্ত তলানি শেষের তল ছাড়া আর যা যা পাওয়া গেলো সবই ত্রিমাত্রিক প্যারানয়েডের ছক লুঙ্গী হাঁটুতে তুলে অতিদ্রুত শোকসঙ্গীত ভাজতে থাকে
Friday, July 17, 2009
জেনেসিস ৫৯-৬২
সপ্রশংস অনুর্ধ্ব-দানবিক পানাহার পরিপাক সাপেক্ষে পাতিকাক ব্যাজার বসে থাকে পরবর্তী উপচংক্রমণদুষ্ট আপাত:ত্যাজ্যদের সমাবেশ খুঁটে নিজস্ব একতলীয় লেখচিত্রে সপ্রতিভ গমনাগমন টাল সামলাতে
৬০.
ছত্রাকাক্রান্ত গমের রসে দমেবসা পোড়া সিদ্ধ বরাহগণ্ডাংশ খাদ্যনালীতে ঠেলে দিতে হাইপারবোলিক আবর্তে প্রচলিত ঢেকুরের স্বস্তি জেগে ওঠে পেটে আর দুই কূলে সানন্দ-পম্পাই ভুলে থেকে
৬১.
সরাসরি আড়াআড়ি বেঞ্চিগুলি ডিঙ্গাতে ডিঙ্গাতে হার্ডলরেসের অতিপ্রাথমিক অনুশীলন ঝিলিমিলিঝিলনের উপ-মনোহর রসজ্ঞ সমাবর্তনকল্পে যতিচিহ্নরহিত আহ্নিকে টৈটুম্বুর বদনা এগোয় ফাঁকতালে কিছু অনিশ্চিত সওয়াবের ফিকিরে
৬২.
প্রথমকোপে খুলি সরিয়ে মজকভূনার নির্যাস রাতারাতি পরোটাভর্তি টুকরিতে হাত ঠেলে দেয় নিয়মিত অপরিমানদর্শী রবাহুত ফুঁচকি প্রতিবেশে
Sunday, July 05, 2009
জেনেসিস ৫৬-৫৮
ততোধিক রসাধারধারণক্ষম ধারাবাহিক রঙ্গনটীদের ধীরলয় খেমটায় খোলের পুরিতে আঙ্গুল ধরে এলে জ্বলে ওঠে অপ্রকৃত স্ফুলিঙ্গ নামাবলীর পশম বাঁচিয়ে পাঁঠাবলীর বর্ধিত জেয়াফত আঁচিয়ে অসরল ঢেঁকুর-নির্যাসে রঙ্গালয় গান্ধা করে
৫৭.
অফহোয়াইট বিকালের গলায় আঙ্গুলের ক্রমবর্ধমান চাপে তারায় টিউন হতে থাকে দিগন্ত পাগড়ীতে হাতুড়ির ঘাত সমানুপাতে তর্জনী গ্রাস করে নিতে থাকে দিনান্তের সবটুকু সেমিঅরগাজম চুকিয়ে চুড়ান্ত অন্ধকার নিশ্চিত করতে
৫৮.
অর্থাৎ অর্থাপত্তিবিঘ্নিত রুচিকর ননস্টিকি ডেকচির চারপাশে বাতাসখেকো সুরক্ষাচক্রের পরিধিতে হিতাহিতজ্ঞানযুক্ত প্লবগ সমীকরণের অসম্পূর্ণ বিন্দুরেখার দীর্ঘশ্বাস অজানা রাশির চালিয়াতিতে অসংরক্ষণ নিশ্চিত করে হলুদ হলুদ ডানা মেলে উবে যায় লোকালয় থেকে রাসায়নিক ভাগাড়ে
Monday, June 29, 2009
জেনেসিস ৫৩-৫৫
অমিতাভ স্বয়ম্বরসমাবেশ ব্রতচারী হালনসিহতনামার পৃষ্টাজুড়ে ট্র্যাক্টর চালিয়ে আপদকালীন মুসিবতপুরাণাবৃত্তির পাদদেশে বরাহসঙ্গম প্রত্যক্ষক্রমে অপ্রত্যক্ষ প্রতিবেশে কায়ক্লেশে নির্নিমেষ টিকে থাকে শোলটাকির উপাদেয় ভূনাভাজা ভালোবেসে অথবা কাটাছোলাতাজা মেষপোহানো আঁচে ভষ্মরূপ হেসে
৫৪.
সরাসরি হিজিবিজির থেকে চ্যাগানো মতিভ্রম উপাদেয় বলে যাবতীয় মাপজোখলাঠিকাঠি আঁটিবেঁধে সানন্দসমাধিতে যায় ষাষ্টাঙ্গে সকাম মাই দিতে থাকা মোলায়েম শায়কশয্যা ভালো পেয়ে
৫৫.
আপতিত কেন্দ্রবিমুখী ভেংচিসমূহের কোয়ান্টাম মোচড়ের একান্তর বৃত্তস্থিতকোণ রোলিঙ স্টোন থামাতে পিঠ পেতে দিলে চিল থু থু করে কান ফেলে দিয়ে উড়ে যায় একাকী বিষন্ন ভিন্ন ভেড়ুয়ার তালিখালি ভালোবেসে
Sunday, June 28, 2009
গিট্টু
তাই স্লিভলেস পড়ে
অহরহ মগজের বকলেস
খুলে দিতে,
চালে ঘি’তে মিলে
দমবন্ধ পড়ে থাকা
শেষ হয় পোলাওয়ের খাই খাই গন্ধে,
কাবাব রেজালা খতমের পর
বেঁচে থাকা সবেধন শ্রেণীশত্রু
মিত্রপক্ষে নিরন্তর হাই ফাইভ করে যায়
লড়ে যায় তথাস্তু প্রাণায়াম ভালোবেসে
সাইকেডেলিক রেশে
জাগতিক জানালার বাড়িঘর
সরাসর
নিয়মিত মেরামতি
যতিচিহ্নে বহমান কালাজ্বর
ডরপুক ঝাড়ফুঁকে লাভক্ষতি
হালখাতা উদ্ধত স্লিভলেসে
খুলি নেড়ে অবিরাম
বকলেস খোলাখোলি
চোলিটানা দু:শাসন মারফতি
নিবেদন চেখে দেখে,
দেখে শেখে
শিখে শিখে আরো বেশী
সবিনয় বখে যায়
চেখে চেখে শিখে নেয়
দমদার ধূমালী -
দালি’র গোঁফে মারে
রোপওয়ের অবশেষ প্রান্ত
ক্ষতক্লান্ত
নাগরিক গিট্টু
Tuesday, March 17, 2009
জেনেসিস ৫১-৫২
৫১.
প্যারালালবারে প্রজাপতিপারাপারার্বতনপ্রজ্ঞায় কাঁটাকম্পাস যতিশ্বাসাবনত ঘুঁপচিতে ঘড়া ঘড়া উপচে পড়া পপকর্ণ টুকে শুঁকে শুঁকে আবরণ আপতিত ডেগচি হেঁচকিনিরোধঅবকাশে সকরুণ বেনু যথেচ্ছ প্যাঁ পোঁ সহকারে হালেবেহালে ক্ষ্যাপা মজমায় হেঁচকি তোলে ঘোলে কয়েক কিস্তি ফিরতি কোরাসের নিয়মিত হাহাকার অনুরোধে
৫২.
প্রাথমিক খাবলার ঠিকুজি ইজি হয়ে খানিক সুজির হালুয়ার স্মৃতি উস্কে দিতে থাকে বাঁকে বাঁকে টাকডুমাডুম হালুমহালুম বিত্তিবেসাদ মালুম হবার নাকাকাড়া আড়াআড়ি রকমারি জলসায় হতবম্ব ভেড়ুয়ার তালি-খালি প্রমাদে টালি এঁকে এঁকে মদনটেকবিভ্রমে ছৈলছাবিলা যতিচিহ্ননির্ণায়ক অনুযোগে
Thursday, September 25, 2008
ঘরবাড়ি ভালা না আমার
কাঁথায় মোড়া কথাকলি
বলির মঞ্চে উদার পাঁঠা
কয়েক কাঠা মুদ্দোফরাস
ক্ষুব্ধ ক্ষতে রাসলীলার
খেলামকুচি-
সূচি ধরে উল্টে গেলাম
উল্টে যাচ্ছি
উল্টে যাচ্ছি
পাচ্ছি কথার ডবল কাঁথা
গাঁথার কবল রগড়ে চলে
বিগড়ে যাওয়া ডেগচিগুলি
ফুচকি মারে সঠিক ফাজিল
হাবিল কাবিল টাস্কিহত
ভেঙচি কাটা শাকের আঁটি
লেঙচে চলা মহব্বতের
ধুম্রকাঠি বস্তুগত স্বাস্থ্য মাপে
দাঁতকপাটি
সুনিশ্চিত
শকট চেপে
মুজরো লেপে চক্ষু ঢাকে
কুটিল বাঁকে ক্ষণিক ছায়ায়
ডুবসাঁতারী বণিকপ্রবর;
সাবরমতী চটকভাঙায়
সম্যাৎকারে কাঁঠালডাঙায়
চিৎপ্রকর্ষ কাচ্চিকথা
নেংটি ওড়ায় ডান্ডামাথে
ক্ষুদ্রপিনিক বিঘৎ খানেক
পোলভোল্টের শর্তা পেরোয়
২.
খানিক ডানেবামে সরে যাওয়া সুস্বাস্থের পরাকাষ্ঠা বুনো শুয়োর অনিশ্চিতযাত্রায় মন দিতে থাকলে বারবিকিউ পল্টিগুলি খচ্ করে গেঁথে যায় গেঁথে থাকে নিয়মিত হাড়িফাটা পুঁথিপত্রে ইত:স্তত এবড়ো থেবড়ো ক্ষতের বাঁকে তীরের কাছে বউচি খেলা হাঙরগুলি পল্টি মারে পর সমাচার আমরা আছি কাছি কাটা নৌকা চলে
৩.
কিমাকুশল বদ্যি হেঁকে
ধাকেটেধিন মজমা ছেঁকে
কৎক্রতাধেৎ চটুল তেহাই
নীলচেতনে দমকাড়া মাই
গুষ্টিকেঁচে ছিষ্টিছাড়া
দৃষ্টিসেঁধে আধেক সাড়া
যতেক সাধন ততেক মোহ
নাঙ্গাসাধু আজ্ঞাবহ
শ্বাসপুরাণের আঁশটে গায়ে
দৃষ্টিমৃত সুপ্ত ঘায়ে
গুপ্তিল্যাজা ফিরতি কোরাস
চিশতি ফাঁদে
মিশ্রস্বাদে
যুক্তিবাঁজা ঝুমকা বাহাস
৪.
অর্থাৎ ক্রলিং পেজগীতে সীনাপুটকীহারা ঝটিকারাজির প্রেমাস্পদ একতলীয় ত্রিকোণমিতির আঁকিবুকি পাগমার্ক ধরে শুঁকেশুঁকে বোকাঝুপড়িতে চিৎকাৎ হলে ঝোলেহরিবোল চড়াখোলে দাদরায় মাতে যাত্রাব্রত ওতপ্রোত শায়কসঙ্কুল দশকূল ছেপে
৫.
ভীষনরঙ্গে ভবতরঙ্গে ভাসায়ে ভেলা
চক্ষুটেপে চতুরসঙ্গে চার্বাকচেলা
রেলারঞ্জিত কালোয়াতীদের চটুলশাখা
তারবাত্তির আত্তিযতনে বুম্ শাকালাকা
[i][b]নির্মলেন্দু চোধুরী গীত হাছনরাজার গান পাইলাম ইস্নিপসে..[/b][/i] :
|
Tuesday, August 05, 2008
প্রপঞ্চ ২
প্রপঞ্চ ১
Wednesday, July 23, 2008
দহ
রটনামুখর মুস্তাকীমে সীরাতের মৌতাত;
হাত গলিয়ে
সুস্বাদু জৈব রসায়ণপ্রাজ্ঞ
যাগযজ্ঞের নির্মাণাধীন
বীর্য্যকুঠুরির দোরে
আলগোছে রেখে আসা
মাছিমাখা কাঁঠালের মোচা,
সোজা কিংবা সমান্তরাল গুহাগুলি
একটি পাহাড়েই ধরে নিয়ে
ঝিয়েবৌয়ে ফলনের সুধারস-
ছোট সে তরীর ঠাঁই পেতে
বেছে নেয়া সমতল নদী।
গদীঘরে হালাল ব্যবসা,
ঢ্যাপসা কদুর খোলে
পরিচিত কেলী-
মেলি দিব্য চোখে
কচি মুরগীর সিনা
বীণার ব্যবহার উঠি উঠি করে
দারাদারাদিমদিম
হিম হয়ে ঝরে
ঘরে ডাকে পাতিকাক
মনু আর চার্বাক
হাঁক দিয়ে আড়াআড়ি
তাড়ি টেনে ভাঙে হাড়ি
খাঁড়ি ঘেঁটে সারি সারি
দহে খোঁজে কুমিরের সনাতন ডেরা,
নিদারুণ আঁকিবুকি দহগ্রাম ঘেরা।
Friday, May 16, 2008
লগারিদম
দেখা যাচ্ছে অতিশয় সরু সরু কিছু ফানেলের ফিকিরে ডুবসাঁতারী টানেলভিশনের গায়ে মিশনারী ছেনালের ধবধবে অধ:ক্ষেপ
প্রক্ষেপ নিরপেক্ষ প্রতিবেশে গেঁথে থাকে অতিপ্রাথমিক গোলকীয় ত্রিকোণমিতি
সুতরাং অপচিতির লগারিদম খুঁজেপেতে খতমের কিছু নেই
কণাবাদী সমতল
আরো কিছু কাটাকুটি
সার সার পড়ে থাকে
করোটির ফাটাফুটি ঢেকে
সেইসাথে ধূমসেঁকা
খোলতাই মজারু
সজারুর দোলমায়
চেরা সুরে
চৌতাল শেখে
দেখে দেখে বরাবর
হাঁপরের হাঁফ ধরে
গুটিশুটি
এজমালী টুটি চেপে
ফেঁপে ওঠা টুকটুকে
চোখে চোখে চাখাচাখি
শ্যামরাখি ইতিহাস ঝরে
মজমা
প্লাটিপাস চাম
রীতিমতো
ছ্যাঁদা মনোবিজ্ঞানের দোহাই -
সিঙ্গেল রণ-পায় চড়ে
গড়ে পিটে
চিটেগুড়ের বৃত্তান্ত
গেঁথে যেতে থাকে
পেট কাটা ঘুপচিতে
সরল কর
তারপর ভুস্ করে আরেকটা টস্ টসে ডলফিন পাল্টি দিল বরাবরের মতো ধারাবহিক প্রতিফলনের পিন্ডি চটকে; সুতরাং সাফসুতরো কলতলা কোন সমাধান নয় - (আরো নাদান বয়সে সমাধানের অঙ্কে ধরা খাই পাঁচ সমান ৭ লিখে, আমি প্রাণপনে প্রতিবাদ করেছিলাম কেননা উভয় পক্ষ থেকে দৃশ্যত: এক্স বাদ দেওয়া যেতে পারে অন্তত দেবার মধ্যে একরকম সেমি অরগাজমের সম্ভাবনা চট করে উড়িয়ে দেওয়া যায় না-গেলেও উচিত নয় কেননা নীতিদর্শন মূলত সুবিধাজনক চিপাচুপায় প্রযোজ্য) বুট পড়ে গেলে আর উঠতে হবে না ফলোথ্রু থেকে।
এক পা আগে দুই পা পিছে
রদ্দা মেরে ছাল ছাড়ানো সহজ -
রসুনেরতো বটেই
ঘটেই কি জল আনতে হবে?
কোঁচড় ভরে খিস্তি-খেউড়?
কোঁচড়ের জল চিপড়ে খেয়ে
ঘড়া উপচে খেউড়ি পেসাদ
দেউড়ি খোলা পড়েই থাকে
ল্যাটকা মেরে বিত্তি-বেসাদ
চিত্তি জ্বলে পটপটিয়ে
জাটকা দিলে নিমরাজী ঘাত
বন্দিশ
দেখেছি
ভজনের অধ:ক্ষেপ
জোয়ারির ভাঁজে;
নম্বর দেখে
খোলস কেনা বাদ
দিয়েছি
ওজোনের গ্যাপে
বায়োস্কোপ ।
ছোপ ছোপ
অঙ্কুর -
চুর মাখলেই
ধারালো টান্নি;
কান্নি খায়
কোনাকুনি ফ্লিপার !
কঙ্কাল
বুভুক্ষু রৌদ্রে
করোটি ঠোকাঠুকি হল -
চৌদ্দবছর পেরোয়
তোমার সাফসুতরো আঁচল
ঠিকঠাক টেনে নিতে।
মূলধন ঢেকে ঢুকে টুকে রাখা
আমদানি ইতিহাস ঘষেমেজে।
পাশাপাশি
চৌদ্দ প্যারাডক্স মজমায়
গ্যালাক্সি ঝুর ঝুর ঝরে পড়ে
গড়ে ভাঙে টসটসে রাসলীলা গান
তান থেকে ডিগবাজী
রোদে ভাজা করকরে দেহাতি,
আঁতিপাতি ঘুলঘুলি মনোরম
মনোরমা মল্লিক।
বোধ
পুরনোরা কে কোথায় এইসব বালছাল। তারপর কথা ফুরোলে হাড়িতে হাত পড়ে। জীবনে তিনের দুই পেরিয়ে দুজনেই বুঝি, পরস্ত্রী বলে কিছু নেই।
